স্থূলতার মনস্তাত্বিক দিক

স্থূলতার মনস্তাত্বিক দিক

প্রশ্নঃ মস্তাত্বিক দিক এবং সামাজিক দিক থেকে স্থূলতা কি প্রভাব সৃষ্টি করে ?

উত্তরঃ সব চেয়ে বড় মনস্তাত্বিক বিষয় হল চিন্তাগ্রস্ততা। আমাদের সমাজে আকষর্ণীয় দৈহিক গঠনের ব্যাক্তিদেরই(বিশেষ করে মহিলা) সম্মান দেওয়া হয়ে থাকে।  মোটা ব্যক্তিদের আকর্ষণীয় বলে মনে করা হয় না। বাড়িতে, অফিসে, স্কুলে এবং সমাজে তাঁদের সাথে দূরত্ব বজায় রাখা হয়।  বেশির ভাগ মোটা মানুষদের মধ্যে অপরাধ বোধ, লজ্জা এবং গ্লানি দেখা যায়। তাঁদের  আত্মসম্মানে আঘাত লাগে এবং মনোবল নষ্ট হয়।

প্রশ্নঃ এনোরেক্সিয়া নার্ভোসা কাকে বলে ?

উত্তরঃ এই রোগ প্রায়ই কিশোরীদের মধ্যে সৃষ্টি হয়। এটি কিশোর, যুবুক এবং যুবতীদেরও হতে পারে।  এই ধরণের ব্যাক্তিরা রোগা হওয়ার জন্য প্রচুর ওজন কমিয়ে নেন।  রোগা হওয়ার পরেও তারা নিজেদেরকে মোটা ভেবে আরও  রোগা হওয়ার  চেষ্টা করেন।  এই রোগের সাথে খাদ্য এবং ওজনের কোন সম্পর্ক নেই।  এর সাথে মানসিক সম্পর্ক বিদ্যমান।

 

প্রশ্নঃ এনোরেক্সায়ার জন্য কি অসুবিধা হতে পারে ?

উত্তরঃ এর ফলে কিশোরীদের ঋতুচক্র বন্ধ হয়ে যায়। ত্বক শুষ্ক হয়ে আসে এবং চুল পড়তে শুরু করে।  সারা শরীরে লোমের পরিমাণ বাড়ে। তাদের ঠান্ডা লাগতে শুরু করে, ফলে তারা তাড়াতাড়ি অসুখে পড়ে যায়। এদের মধ্যে সব বিষয়ে বিরক্তি লক্ষ্য করা যায়। একাগ্রতা নষ্ট হয় এবং সবদাই খাবার নিয়ে চিন্তা করে।  এমন নয় যে, তাদের ক্ষিধে পায় না.. আসলে তার সর্বদাই ক্ষুধার্ত থাকে।  তারা মনে করে যে, তারা নিজেদের ওজন কমাচ্ছে।  এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিরা ক্ষিধের জন্যও মরেও যেতে পারেন।

 

প্রশ্নঃ বুলিমিয়া কি ?

উত্তরঃ  বুলিমিয়াকে বুলিমিয়া নার্ভোসা বলা হয়ে থাকে। এটিকে খাদ্যের মানসিক অনিয়মিয়তাও বলা হয়। এতে ওজন কমানোর জন্য  ভুল পদ্ধতির ব্যবহার করা হয়ে থাকে, যেমন- বমি, উপবাস, এনিমা, এবং কঠোর ব্যায়াম। অনেক সময় এই রোগের রোগীরা বিশ হাজার ক্যালোরী পর্যন্ত খেয়ে নেন।  তারা প্রায়ই উচ্চ ক্যালোরীর যুক্ত খাবার খেতে পছন্দ করেন, যেমন-কেক,পেষ্ট্রি, আইসক্রিম ইত্যাদি।  এই রোগ শুধুমাত্র ক্ষিধে পাওয়ার কারণে হয় না.. বরং মানসিক চাপ, নিরাশা এবং অপরাধ বোধের কারণেও  হতে পারে।  বেশী খাওয়া এবং তারপর ওজন কমানোর জন্য  ভুল প্রক্রিয়ার ব্যবহার তাঁদের অভ্যাসে পরিণত হয় এবং তাঁরা এটার পুনরাবৃত্তি করতে থাকেন।

 

প্রশ্নঃ বুলিমিয়ার জন্য কি অসুবিধা হতে পারে ?

উত্তরঃ এর থেকে নিম্নলিখিত অসুবিধার সৃষ্টি হতে পারে-

  • দাঁতের এনামেল নষ্ট হতে পারে।
  • ঠান্ডা বা গরম খাবার খেলে দাঁতে অসুবিধার সৃষ্টি হয়।
  • ক্রমাগত বমির জন্য লালাগ্রন্থি ফুলে যেতে পারে এবং সেখানে ক্ষতস্থানের সৃষ্টি হতে পারে।
  • পেটে ক্ষতস্থান হতে পারে(আলসার)
  • পেটে ব্যাথা হতে পারে।
  • অন্ত্রে প্রচুর পরিমাণে তরল পদার্থ সৃষ্টি হতে থাকে
  • ডি-হাইড্রেশন হতে পারে
  • হৃদয়ের গতি অনিয়মিত হতে পারে এবং হার্টে এ্যাটাকের সম্ভাবনা দেখা যায়।
  • আত্মহত্যার প্রবৃদ্ধি পায়
  • লিবিডোর অভাব সৃষ্টি হয়।

 

প্রশ্নঃ নাইট ইটিং সিন্ড্রোম কি ?

উত্তরঃ এর রোগের রোগী রাতে শোওয়ার আগে প্রচুর খাবার খান এবং মাঝরাতে ঘুম থেকে উঠেও খাবার খেতে থাকেন।

লক্ষণঃ

  • রোগীর জলখাবের সময় ক্ষিধে থাকে না। ঘুম থেকে ওঠার পর কয়েক ঘন্টা তিনি কিছুই খান না। তার ক্ষিধে পায় না এবং আগের দিন  রাত কতটা খেয়েছেন, সেই নিয়েই চিন্তা করতে থাকেন।
  • রাতে খাবার খাওয়ার পরেও অনেক বেশী পরিমাণ খেয়ে ফেলেন
  • এরা জলখাবারের আগে এবং রাতে খাওয়ার পর রোজ যতটা খাদ্যের প্রয়োজন, তার অর্ধেক ভাগই খেয়ে ফেলেন। রতেও অনেক বার হাল্কা ধরণের  খাবার খান।
  • এই প্রক্রিয়া প্রায় দু,মাস চলে।
  • রোগী খাবার খাওয়ার সময় উদাস এবং মানসিক চাপের মধ্যে থাকেন এবং লজ্জাবোধ করেন।
  • এই রোগটি মানসিক চাপের থেকে সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে রাতের বেলায় এই ধরণের রোগী ব্যক্তি মুডি, মানসিক চাপমুক্ত, উত্তেজিত, নার্ভাস, বা ক্রুদ্ধ হয়ে উঠতে পারেন।
  • এনারা মিষ্টি এবং ষ্টার্চযুক্ত খাবার বেশী করে খায়।
  • এই ধরণের রোগীদের সন্ধ্যায় সময় লাগাতার খাবার খাওয়ার ইচ্ছা হতে থাকে।
  • অপরাধ বোধের জন্য  খাবার খাওয়ার সময় তাঁরা লজ্জাবোধ করে।

প্রশ্নঃ চাপযুক্ত খাদ্য বলতে কি বোঝায় ?

উত্তরঃ মানসিক চাপের সময় লোকেরা মশলাদার, ঝাল এবং ক্যালোরী যুক্ত খাবার খেতে পছন্দ করেন। এর দ্বারা তার ক্ষিধে  সহ চিন্তাও  দূর হয়।  ভাবুক এবং চাপগ্রস্ত ব্যক্তিরা এই জালে  জড়িয়ে পড়ে স্থূলতাকে আমন্ত্রণ জানান। এই অভ্যাসের হাত থেকে মুক্তি পাওয়ার চেষ্টা করুন। যদি খাবার খাওয়ার  ইচ্ছাকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারেন, তবে জুস বা লো ক্যালোরী যুক্ত খাদ্য গ্রহণ করুন। ধ্যানও এই ব্যাপারে আপনাকে সাহয্য করতে পারে।

 

প্রশ্নঃ ওজন কমানোর জন্য কি লক্ষ্য স্থির করা উচিত ?

উত্তরঃ প্রতি মাসে দুই-তিন কিলো ওজন কমানোর লক্ষ্য রাখতে পারেন। বেশী ওজন কমালে দূর্বলতা আসতে পারে। যদি কারো ওজন চার কিলো থেকে ছয় কিলো বেশী হয়, তবে তাঁর প্রতি মাসে এক কেজি করে ওজন কমানো উচিত।  এক মাসে দশ কিলো ওজন কমানোর  চেষ্টা করবেন না।  প্রথমে আপনি এটা করতে পারলেও পরে মানসিক চাপের মধ্যে পড়ে যাবেন।

 

প্রশ্নঃ  ওজন কমানোর জন্য মাঝে-মাঝে খাবার না খাওয়া উচিত কি ?

উত্তরঃ খাবার না  খেলে আপনার ক্যালোরীর মাত্রা কমবে এবং আপনার ওজনও কমবে.. কিন্তু  একই সাথে আপনার ব্লাড শুগারও কমে যাবে আর প্রচন্ড ক্ষিধে পেলে আপনি সমস্ত সীমা লঙ্ঘন করে প্রচুর খাবার খেয়ে  ফেলবেন।  এক সমীক্ষা থেকে জানা গেছে যে, যারা জলখাবার খান, তাঁদের থেকে যাঁরা জলখাবার খান না, তাঁরা অনেক বেশী মোটা। অনেক সময় না খেলে পেটে গ্যাসের সৃষ্টি হয়.. এই কারণে কমানোর জন্য আপনি দিনে দুই তিন বার বেশী খাবার খাওয়ার  পরিবর্তে চার-পাঁচ বার অল্প খাবার খান। এতে ব্লাড শুগার ঠিক থাকবে এবং আপনার ক্ষিধেও পাবে না ।

 

প্রশ্নঃ  ওজন কমানোর পর আমি দুর্বলতা অনুভব করব কি ?

উত্তরঃ  ওজন কমালে কোন দুর্বলতা অনুভূত হয় না।  এটা একটা মানসিক কারণ। অনেক সময় লোকেরা ওজন কমালে তার সাথ অন্য বিষয় তৈরি হয়ে যায়।  ফলে ব্যক্তিরা দুর্বলতা অনুভব করেন।  রোগা হলেও তাঁদের মধ্যে প্রচুর শক্তি থাকে।  অনেক সময় যখন খনিজ এবং ভিটামিন এর অভাব পূরণ না করেই তীব্র গতিতে ওজন কমানো হয়, তখন তার ফলে দুর্বলতা অনুভুত হতে পারে।  এই ক্ষেত্রে আপনি প্রচুর পরিমাণে ফল আর সবজি খেতে পারেন।

 

 

 

প্রশ্নঃএক ঘন্টার মধ্যে  কি ভাবে এক কিলো ওজন কমানো যায় ?

উত্তরঃ স্লিমিং সেন্টারে গতিবিধি বৃদ্ধি করে ক্যালোরী কমানো হয়ে থাকে।  গ্রাহকের শরীর থেকে ঘামের রূপে তরল পদার্থ নির্গত হয় এবং তাঁর ওজন প্রায় এক কিলো কমে যায়।

 

প্রশ্নঃ ধূম্রপান করলে ক্ষিধে মরে যায় কি ?

উত্তরঃ হ্যাঁ, ধূম্রপান করলে ক্ষিধে মরে যায়, ধূম্রপান করলে ক্ষিধে মরে যায়।  অনেকে এমনটা মনে করেন  যে, ক্ষিধে পেলে সিগারেট পান করে নিলে আর খাওয়ার প্রয়োজন হবে না এবং তারও  ওজনও কমে যাবে।  কিন্তু ওজন কমানোর জন্য এই প্রক্রিয়া মোটেই ঠিক নয়।  এর থেকে হৃদরোগ, ফুসফুসে ক্যানসার এবং শ্বাসকষ্ট  এর মতন অসুখ হতে পারে। ক্ষিধে পেলে কম ক্যালোরীযুক্ত খাবার বা জুস খাওয়া উচিত।

 

প্রশ্নঃ হঠাৎ করে ধুম্রপান ছেড়ে দিলে ক্ষিধে বেড়ে যায় কি ?

উত্তরঃ ধুম্রপান ছেড়ে দিলে সব ব্যক্তির ওজন বৃদ্ধি পায় না।  আপনি ‍যদি গত দশ বছর ধরে এক প্যাকেট করে সিগারেট পান করে থাকেন, তবে তা ছাড়ার পর আপনি মোটা হয়ে পড়তে পারেন।  এই রকম পরিস্থিতিতে আপনি ব্যায়ামের মাধ্যমে নিজের ওজন কমাতে পারেন।

 

প্রশ্নঃ ওজন কমানোর পর কি ভাবে ওজনের  মধ্য সমতা বজায় রাখা সম্ভব ?

উত্তরঃ ওজন কমানোর বিষয়টি ক্যালোরীর ওপর নির্ভর করে। একবার ওজন কমানোর  পর আপনি নির্দিষ্ট পরিমাণেই ক্যালোরী গ্রহাণ করুন এবং সক্রিয় জীবন বজায় রাখতে পারবেন।

 

প্রশ্নঃ সেক্স ওজন কমানোয় সহায়ক হয় কি ?

উত্তরঃ হ্যাঁ.. সেক্সও ওজন কমাতে সাহায্য করে। কারণ এই সময় দৈহিক গতিবিধির ফলে মোটাবোলিক দর বৃদ্ধি পায় এবং ক্যালোরী খরচ হয়।  একবার সেক্সের জন্য এক ব্যাক্তির দুইশত ক্যালোরী খরচ হয়.. যা ওজন কমানোর  এক ভালো প্রক্রিয়ায় হয়।  যদি আপনি নিজের সঙ্গীর সাথে সুন্দর আবহাওয়ায় সেক্সের মজা নিতে চান, তবে তাতে কোন ক্ষতি নেই।

 

প্রশ্নঃ আমার শরীরের কোন স্থানের  ওজন বেশী, সেটার কোন গুরুত্ব  আছে কি ?

উত্তরঃ হ্যাঁ, এই বিষয়টি যথেষ্ট গুরুত্ব রাখে। আপেল এবং নাশপাতি আকৃতির দৈহিক গঠনের কথা খেয়াল করুন.. এর ফলে শরীরের একটা নিশ্চিত অংশে ফ্যাট সঞ্চিত হয়।  যদি আপনার দৈহিক কাঠামো আপেল এর মতন হয়, তবে খাদ্য এবং ব্যায়ামের দিকে নজর দিলে সো কম হতে পারে। এই ক্ষেত্রে কার্ডিয়োভাস্কুলার, হাই ব্লাড প্রেশার, ডায়াবেটিজ এবং ক্যান্সার রোগ হওয়ার ভয় থেকে যায়। নাশপাতি আকারের দৈহিক গঠন সহজে কমে না, কিন্তু এতে হৃদরোগের বেশী ভয় থাকে না।  আপনার স্থূলতার যদি কলার আকারের হয়, তবে এটা  ধরে নিতে পারেন যে, আপনি সত্যিকারের সংকট আছেন।

প্রশ্নঃ মোটা কে – মহিলা না পুরুষ ?

উত্তরঃ মহিলাদের দেহে পুরুষদের তুলনায় ফ্যাট কোষের পরিমাণ বেশী থাকে। যদি পুরুষদের মধ্যে এর  পরিমাণ ছাব্বিশ কোটি হয়, তবে মহিলাদের মধ্যে পয়ত্রিশ কোটি হয়।  মহিলাদের শরীরের মোট ওজনের প্রায় সাতাশ ভাগ এবং পুরুষদের শরীরের মোট ওজনের প্রায় পনেরো ভাগ ফ্যাট থাকে।  প্রজননের জন্য মহিলাদের বেশী পরিমাণ ফ্যাটের প্রয়োজন হয়।  এই কারণে এটি একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।  যদি কোষের মধ্যে কম পক্ষে সতেরো ভাগ ফ্যাট না থাকে, তবে আপনার ঋতুস্রাব শুরু হবে না।

 

প্রশ্নঃ ধ্যানের মাধ্যমে কি ভাব ওজন কমানো সম্ভব ?

উত্তরঃ  ধ্যানের সাহয্যেও আপনার ওজন কমতে পারে। যখনই আপনি মানসিক চাপ কোন কোনরকম অসুবিধা অনুভব করবেন, তখনই কম ক্যালোরী যুক্ত খাবার আপনার চিন্তাগ্রস্ততাকে সম্পূর্ণ করতে পারবে না এবং  আপনি ইচ্ছামতন খাবার ( এতে আপনার যাই ক্ষতি হোক না কেন) খেতে শুরু করবেন।  ধ্যানের মাধ্যমে আমাদের চিন্তা নিয়ন্ত্রণে থাকে।  ব্যক্তির বিবেক ঠিক থাকে। ধ্যান করলে আপনার মানসিক দৃঢ়তা বৃদ্ধি পাবে এবং আপনি নিজের ক্ষিধেকে ঠিক ভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

 

প্রশ্নঃ কাজের অভাবে জন্য বা একঘেয়েমির জন্য মহিলারা অনেক সময় প্রয়োজন এর তুলনায় বেশী খাদ্য গ্রহণ করেন। একঘেয়েমি কাটানোর জন্য তাঁরা কি করতে পারেন ?

উত্তরঃ নিম্নলিখিত উপায়ের মাধ্যমে আপনি একঘেয়েমি কাটাতে পারেনঃ

ওজর দেখাবেন নাঃ  আপনি যদি মনে করেন যে, আপনি একঘেয়েমি কাটানোর জন্য কিছু না কিছু খাচ্ছেন, তবে আপনাকে শীঘ্রই অন্য কোন কোন পথ খুঁজে বার করতে হবে।

সৃজনশীল হোনঃ  কোন সৃজনশীল কাজে ব্যস্ত থাকুন। যে কোন রকম শৈল্পিক কাজের মধ্যে দিয়ে আপনার মানসিকতাও সন্তুষ্টি লাভ করতে পারে।

 

গভীর শ্বাস গ্রহণের  অভ্যাস করুনঃ আপনার গভীর শ্বাস নেওয়ার  অভ্যাস করা উচিত।  এতে আপনার একাগ্রতা বৃদ্ধি পাবে এবং একঘেয়েমি দূর হবে।

ধ্যানঃ ধ্যান নিজেকে ব্যস্ত রাখার ভালো উপায়।

পড়াশোনাঃ প্রেরণাদায়ক জীবনী এবং ভালো বই পড়ার বই পড়ার অভ্যাস করুন।

শেকড়-বাকর-দেওয়া চা পান করুনঃ

অনেক ব্যক্তি একঘেয়েমি বোধ করলে উত্তেজিত দ্রব্যের সাহায্য নিয়ে থাকেন। দারচিনি দেওয়া চা ব্লাড শুগারের জন্য ভালো হয়।  এছাড়া আপনি শেকর-বাকর দেওয়া চা-ও পান করতে পারেন।

শরীরের ভারসাম্যতা বজায় রাখুনঃ কিছুক্ষন বাদে-বাদে কিছু খেলে আপনার ব্লাড শুগার নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এতে আপনার একঘেয়েমিও  দূর হবে।

বন্ধুদের ডাকুনঃ যদি আপনি বোর অনুভব করেন, তবে চিপসের প্যাকেট খাওয়ার পরিবর্তে বন্ধুদের  ফোন করে ডেকে নিন।

ঘরোয়া কাজঃ আপনি কাপড় কাচা, বাড়ী-ঘর পরিস্কার করা বা রান্না করার মধ্যে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে পারেন।