Sale!

Whey Protein Powder – Weight gain medicine in Bangladesh

৳ 5,500.00 ৳ 5,300.00

  • prized by athletes for their muscle building
  • pure Whey Protein Isolates as the primary ingredient
  • gives you plenty of ways to keep workout recovery interesting
  • Enjoy first thing in the morning &/or pre or post-workout
  • Ready to mix whey protein powder with sweeteners.

Description

Whey Protein – হোয়ে প্রোটিন!

Behlod, I have given you every berb bearing seed, which  is upon the face of all earth. and  every tree, in the which is the of a tree yielding seed: to you it shall be for meat.   GEBESIS 1.29

 

আমাদের খাদ্যে প্রোটিন (Protein) অবশ্যই প্রয়োজন।  কিন্তু যতটা প্রোটিন সমাজের বিত্তবানরা প্রতিদিন উদারসাৎ  করেন, প্রোটিনের প্রয়োজন তার চেয়ে ঢের কম। আমাদের শরীরের দরকার প্রেটিনের মূল উপাদান – অ্যামাইনো অ্যাসিড। পরিপাকের সময় প্রোটিন ভেঙ্গে এই অ্যামাইনো অ্যাসিড তৈরি হয়।

মোট বাইশ টি অ্যামাইনো অ্যাসিডের  মধ্যে ১৪ টি শরীর নিজেই তৈরি করতে পারে।  বাকি ৮ টি অত্যাবশ্যক অ্যামাইনো অ্যাসিড তাই আমাদের প্রোটিন খাদ্যের  থেকে পাওয়া দরকার।

প্রোটিন (Protein) দরকার দেহের পুষ্টির জন্য, বৃদ্ধির জন্য। নিশ্চয়ই দরকার। কিন্তু কোন ধরণের প্রোটিন ?  শস্যদানা, ডাল, শাক-সবজি, ফল প্রভৃতি উদ্ভিজ্জ প্রোটিন না মাছ, মাংস ডিম, দুধের দিকেই আমাদের  সার্বজনীন প্রবণতা, দুর্বলতা।

মাছ, মাংস, ডিম, দুধ –এগুলোর একটিও যদি খাওয়ার সময় না থাকে তাহলে আমাদের অনেকেরেই মনে হয় খাওয়া হল না, উপবাস করা হল। মনেও ভাবি , মুখেও বলি, কতগুলো তরি তরকারি আর ফল খেয়ে থাকা – সর্বনাশ!  একটু মাছ,  মাংস, না খেলে শরীর থাকে ?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রাণিজ প্রোটিন খাওয়া নিয়ে আমাদের বদ্ধমূল এই ধারণাটা শুধু যে ভ্রান্ত তা-ই নয়, ক্ষতিকারক।

কিন্তু দেহ কোনো ধারণার  বা রসণার বশবর্তী নয়।  প্রানিজ- ই হোক আর উদ্ভিজ্জ – ই হোক ঠিক যতটুকু প্রোটিন কর্মশক্তির জন্য দরকার, ততটুকুই সে ব্যবহার করে, বাকিটুকু ফেলে রাখে বা মেদ হিসাবে। কিন্তু এ কাজে দেহে তৈরি হয় টক্সিন বা অধিবিষ – যেমন – ইউরিক অ্যাসিড, আমোনিয়া প্রভৃতি। শরীরকে এই টক্সিন যেন করেই হোক বর্জন করার চেষ্টা করতে হয়।

মাছ,মাংস, ডিম,দুধ প্রোটিন প্রচুর।  তাই অতিরিক্ত পরিমাণে ঐ সব খাদ্য খেলে দেহে টক্সিন তৈরি হয় এত বেশি মাত্রায় যে শরীর তখন আর বাড়তি টক্সিন বের করে দিতে পারে না। টক্সিন রক্তস্রোতে থেকে যায়।  আর এ থেকেই সৃষ্টি হয় বাত, আরথ্রাইটিস, কিডনি ও লিভারের নানা রোগ।

প্রাণিজ প্রোটিন এর আর এক বিপদ কোলেসটেরল।  কোলেসটেরল থাকে মাছে, মাংস, ডিম, দুধ প্রভৃতির মধ্যে।  এরই মাত্রাধিক্যে প্রশ্রয় পায় হৃদরোগ, পিত্তপাথরী, দৃষ্টি –সমস্যা, শ্রবণ- সমস্যা প্রভৃতি।

অতিরিক্ত প্রাণিজ প্রোটিন খেলে ইনসেুলন মাত্রা চরমে  উঠে গিয়ে হাইপার ইনসুলিনেমিয়া এমন কি  নিদারুণ হাইপোগ্লাইসোমিয়া রোগ সৃষ্টি হতে পারে। এবং উপসর্গ হিসাবে দেখা দিতে পারে রোগীর স্নায়ুবিক ও মানসিক দুর্লক্ষণ, যেমন কোমা, মানসিক বিভ্রান্তি প্রভৃতি।

মাত্রাধিক প্রাণিজ প্রোটিনে শরীরে সৃষ্টি হয় উচ্চ অম্লতা। তখন ঐ অম্ল প্রশমনের জন্য দেহে ক্যালসিয়াম এর ঘাটতি ঘটে এবং শরীর তার  খনিজ সমতা হারায়।  হিসেব করে দেখা  গেছে যে ১৪০  গ্রাম প্রোটিন খেলে প্রতিদিন ক্যালসিয়াম ক্ষয়ে যায় ষাট মি.গ্রা.।

গবেষকরা লক্ষ্য করেছেন যে শরীর চালনার যদি অভাব থাকে আর তার সঙ্গে বেশ কয়েক বছর উঁচু মাত্রায় প্রাণিজ প্রোটিন খাওয়া হয়, তাহলে দেখা দিতে পারে osteoporosis, যে রোগ হাড়গুলো দুর্বল এবং ছিদ্রবহুল হয়ে যায়!

যুক্তরাজ্যে এক পরীক্ষায় দেখা গেছে যে ৭০ বছর বয়স্ক নিরামিষাশীদের হাড়, 50বছর বয়স্ক আমিষাশীদের মতো তো বটেই, বরং তাদের চেয়ে অনেক বেশি পোক্ত!

প্রোটিন নিয়ে আরও খবর আছে। ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় এর স্পোর্টস বিভাগের অধ্যাপক Nathan Smith বলেনঃ

কারবোহাইড্রেট এর চেয়ে প্রোটিন হজম করতে দেহের সাত গুণ বেশি জল দরকার হয়। কারণ প্রোটিন খেলে শরীরে যে অ্যামোনিয়া তৈরি হয়, প্রসাবের মাধ্যমে সেটা বের করে দিতে হয়।

পাশ্চাত্যে হাইস্কুল এ যে সব অ্যাথলেট ফুটবল প্রাকটিস করে, তারা শরীর গঠনের জন্য অতিরিক্ত প্রোটিন খায়। কিন্তু ঐ প্রোটিন হজম করতে তাদের দেহের  বেশির ভাগ পানি খরচ হয়ে যায়, তাই শরীরের উত্তাপ তার আর প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দিতে পারে না।  ফলে  অনেক সময়ই heart -stroke এর শিকার হয়ে অকালে প্রাণ হারায়।

গরুর দুধে মাতৃদুগ্ধের তিন গুণ প্রাণিজ প্রোটিন থাকে। সেজন্য শিশুর যখন মায়ের দুধ খাওয়ার বয়স, সে সময় তাকে পানি না মিশিয়ে গরুর দুধ খাওয়ালে তার হাইর নেট্রেমিক পানি সংকট দেখা দিতে পারে। এ জাতীয় তরল সংকট অত্যান্ত মারাত্মক।

বিখ্যাত চিকিৎসক W.H. Hay তাঁর নিজের সেনাটোরিয়মে গত ত্রিশ বছর ধরে লক্ষ্য করেছেন যে কিডনির গোলমাল, হৃৎপিন্ডের ডায়লেশন, ধমনীর দৃঢ়তা এবং রক্তচাপের এমন একটিও রোগী তিনি পান নি যার ক্ষেত্রে প্রাণিজ প্রোটিন খাওয়ার অধিক্য ঘটেনি।

এক্সিমোরা প্রায় পুরোপুরি প্রাণিজ প্রোটিন খেয়ে জীবনধারণ করে। তবু তারা ডিজেনারেটিভ রোগ থেকে রক্ষা পায়। কারণ চিনি, ময়দা প্রভৃতি বিকৃত কারবোহাইড্রেট তার খায় না, নুন এর ব্যবহার জানে না, আর সারাদিন নানা কাজে পরিশ্রম করে প্রচুর।

কিন্তু এ সত্ত্বেও 50 বছর বয়সেই তার বুড়ো হতে শুরু করে। 60এর পরে অথর্ব হয়ে পড়ে। অবশ্য খুব কম সংখ্যক এক্সিমোই 60 এর বেশি বাচে। আর বাঁচলে, 60 বছরে দুস্তর মতে বুড়ো হয়ে যায়। তাছাড়া ওদের মধ্যে রক্তক্ষরণের প্রবণতা খুব বেশি। ছেলে, বুড়ো – সকলেরই প্রায় নাক দিয়ে রক্ত পড়ে। কখনো এই রক্ত পড়া তিন দিন ধরে চলে এবং রোগীর মৃত্যু প্রায় হয়ে যায়।

পাশ্চাত্যের প্রখ্যাত প্রষ্টিতত্ত্ববিদ বলেছেন দেহের জন্য মাছ, মাংস, ডিম, দুধ প্রভৃতি সম্পূর্ণ প্রোটিনের প্রয়োজন আছে বলে ধারণাটা একেবারে ভ্রান্ত।

বস্তুত সম্পূর্ণ প্রোটিন কথাটা চলে আসছে 1916 সাল থেকে। ঐ সময় দুই গবেষক Osborne এবং Mendel ইদুরের  দেহে প্রোটিন খাদ্যের ফলাফল নিয়ে পরীক্ষা করেছিলেন। ওঁরা সেই সব খাদ্যকে সম্পূর্ণ প্রোটিন খাদ্য বলেছেন যেগুলি ইঁদুরের স্বাস্থ্য এবং দৈহিক বৃদ্ধিকে সাহায্য করেছে। তার যে সব খাদ্যে তা হয়নি সে সব খাদ্যকে বলেছেন অসম্পূর্ণ প্রোটিন খাদ্য।

কিন্তু আমাদের দেহের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি এবং ইঁদুরের দেহের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি এক নয়। যদি এক হত তাহলে তো আমাদের শিশুদের মাতৃস্তন্য পান করানো চলত না। কারণ মাতৃস্তনে আছে মাত্র 1.1% প্রোটিন, আর ইঁদুরের দুধে আছে 9.5% প্রোটিন।  এজন্য প্রোটিন সম্পর্কে সম্পূর্ণ/ অসম্পূর্ণ প্রোটিন এসব বিশেষণের ব্যবহার করা একেবারেই অর্থহীন।

অনেকে বলেন প্রাণিজ প্রোটিন ( Protein ), উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের চেয়ে অনেকগুণে উৎকৃষ্ট।  এটাও বাজে কথা।  প্রকৃতির দেওয়া সব খাদ্যেই মনুষ্য দেহের পক্ষে প্রয়োজনীয় এবং অপ্রয়োজনীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড আছে। তাই প্রাণিজ প্রোটিনকে শ্রেষ্ঠ আর উদ্ভিজ্জ প্রোটিনকে নিকৃষ্ট বলার কোনো মানে হয় না।

পরীক্ষার দ্বারা বহুবার প্রমাণিত  হয়েছে যে প্রাপ্তবয়স্করাও  কেবলমাত্র গম জাত খাদ্য রুটি, সুজি প্রভৃত খেয়েই শরীরে প্রোটিনের প্রয়োজন মেটাতে পারে।

আর পরবে নাই বা কেন ?  যে – ক্যালোরি উৎপাদন এর উপর খাদ্যের গুণাগুণ নির্ভর করে তার হিসেবটাই করা যাক। নিচে লেখা খাদ্যের প্রতি একশ  গ্রামে ক্যালোরি (তাপশক্তি) পাওয়া যায়।

 

মুরগির মাংসে ১০৯              ঢেঁকি ছাঁটা চালে ৩৪৯

ভেড়ার মাংসে ১৯৪             কলে ছাঁটা চালে ৩৪৫

হাঁসের ডিমে ১৮১               আটাতে  ৩৪১

মুরগির ডিমে ১৭৩              সুজিতে ৩৪৮

পাঠার মাংসে ১১৮              ছোলার ডালে ৩৮৫

রুই মাছে  ৯৭                   মসুর ডালে ৩১৬

গুরুর দুধে ৬                     মুগ ডালে ৩৫৮

এই জন্যই বৈজ্ঞানিকরা বলেছেন, যে – সব নিরামিষাশী দুধ পর্যন্ত খান না, তাঁরাও  যথা প্রয়োজন প্রোটিন পান চাল, গম প্রভৃতি খাদ্যশস্য, ডাল, সবজি, এবং ফল থেকে।  এই সব নিরামিষ খাদ্যের প্রত্যেকটিতেই সবরকম অ্যামাইনো  অ্যাসিড নেই, কিন্তু এরা মিলেমিশে শরীরকে প্রয়োজনের চেয়ে ঢের বেশি অত্যাবশ্যক অ্যামাইনো অ্যাসিড যোগান দিতে পারে।

 

খেলোয়া এবং অ্যাথলেটদের  ক্ষেত্রে দেখা গেছে, তার খাদ্যে প্রাণিজ প্রোটিন আর ফ্যাটের মাত্রা বাড়িয়ে কোনো নির্দিষ্ট দেহিক শ্রম করতে পেরেছে একটানা  ষাট মিনিট আর প্রোটিন, কারবোহাইড্রেট প্রভৃতি মিশিয়ে খেয়ে ঐ শ্রম করেছে একটান একশ বিশ মিনিট।  কিন্তু শুধু খাদ্যশস্য, শাক-সবজি, ফলমূল খেয়ে ঐ শ্রম করেছে একটানা 180 মিনিট! এই পর্যবেক্ষণ, সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণ করে যে শ্রমিক, খেলোয়াড়  প্রভৃতি যাদের  দৈহিক শ্রম বেশি করতে হয়, তাদের প্রাণিজ প্রোটিন বেশি খেতে হবে এটাও নেহাত ভ্রান্ত ধরণা।

আসল কথা, পুরোপুরি নিরামিষ খাদ্য থেকেই আমরা প্রয়োজনের দ্বিগুণের চেয়ে বেশি প্রোটিন পেতে পারি।

তবুও  যদি  আপনার মনে হয় কম প্রোটিন খেলে আপনি কমজোরি হয়ে যাবেন, আপনার শক্তি সমর্থ্য কমে যাবে, তাহলে এক বার মেক্সিকোর টারাহুমারা ইন্ডিয়ানদের কথা ভাবুন। ওরা ওদের প্রয়োজনীয় মোট ক্যালোরির দশ ভাগ পায় প্রোটিন থেকে, দশ ভাগ পায় ফ্যাট থেকে, আর আর আশি ভাগ পায় খাদ্যশস্য, শাক-সবজি,  আর ফল মূল থেকে।  এই খাদ্য খেয়েই ওরা –

  • পাঁচদিনে কম-বেশি 500 মাইল ছোটাছুটি করতে পারে।
  • 100 পাউন্ড এর একটা বোঝা 70 ঘন্টায় 110 মাইল পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে।

ওদের শক্তি সামর্থ্যের এরকম  আরও অনেক উদাহরণ আছে।  ওরা মাসে প্রাণিজ প্র্রোটিন খায় গড়ে মাত্র এক বার। ডাক্তাররা পরীক্ষা করে দেখেছেন যে ওদের কোনরকম  হৃদরোগ নেই, ব্লাড প্রেশার নেই, ডায়াবেটিস নেই আর নেই স্থুলতা।

তবে এত কথা বলার পরেও যদি আপনি শরীরের মাংশপেশি ব্রিদ্ধিতে ব্যায়াম করেন, তাহলে আমাদের Whey Protein ব্যবহার করা ভাল। এটি সহজ পাচ্য এবং মাংশ পেশি বৃদ্ধিতে সহায়ক।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “Whey Protein Powder – Weight gain medicine in Bangladesh”